চীনে তামা আমদানি কমেছে ৯.৭%

চীনে অক্টোবরে তামা আমদানি কমেছে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ।

চীনে অক্টোবরে তামা আমদানি কমেছে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। দেশটির জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের দেয়া তথ্যানুযায়ী, এ সময় ধাতবপণ্যটির মোট আমদানির পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৩৮ হাজার টন, সেপ্টেম্বরে যা ছিল ৪ লাখ ৮৫ হাজার টন। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যুৎ ও নির্মাণ শিল্পে ব্যবহৃত এ ধাতুর দাম বেড়ে যাওয়ায় চীনের খুচরা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় মজুদ করতে তৎপর হয়নি। এ কারণে গত মাসে আমদানি কমেছে।

চীন বিশ্বের শীর্ষ তামা ব্যবহারকারী দেশ। দেশটি অ্যানোড, পরিশোধিত, অ্যালয় ও অর্ধপরিশোধিত তামাপণ্য আমদানি করে। অক্টোবরে লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) তিন মাসের সরবরাহের চুক্তিতে তামার দাম ৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি রেকর্ড ১১ হাজার ২০০ ডলারে পৌঁছেছিল। দামের এ ঊর্ধ্বগতির পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে বিশ্বের বিভিন্ন খনি থেকে সরবরাহ বিঘ্ন।

চলতি বছর বিশেষ খনি দুর্ঘটনার মধ্যে রয়েছে ইভানহো মাইনসের কাকুলা খনি। প্রতিষ্ঠানটি মে মাসে ভূমিকম্প ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিলির রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি কোদেলকোর এল টেনিয়েনটে খনিতে জুলাইয়ে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ফ্রিপোর্ট-ম্যাকমোরানের গ্রাসবার্গ খনি সেপ্টেম্বরে কাদামাটির ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গ্লেনকোর ও কোদেলকো ২০২৫ সালের বার্ষিক তামা উৎপাদনের পূর্বাভাস কমিয়েছে। এছাড়া অ্যাংলো আমেরিকানও ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে কম তামা উৎপাদনের খবর দিয়েছে।

চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস জানায় বছরের শুরু থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চীনের মোট তামা আমদানির পরিমাণ ছিল ৪৪ লাখ ৬০ হাজার টন, গত বছরের একই সময় যা ছিল ৪৬ লাখ টন।

এছাড়া জানুয়ারি-অক্টোবর পর্যন্ত চীনের কনসেন্ট্রেট তামা আমদানির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার টন। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ কোটি ৩৩ লাখ ৩০ হাজার টন। এর মধ্যে শুধু অক্টোবরে চীন ২৪ লাখ ৫০ হাজার টন কনসেন্ট্রেট তামা আমদানি করেছে, সেপ্টেম্বরে যা ছিল ২৫ লাখ ৯০ হাজার টন।

আরও